Facebook Twitter Instagram
    সংবাদ শিরোনাম
    • বেলকুচিতে প্রাথমিকের টিফিন খেয়ে ৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন 
    • হাপানিয়া যুব সংঘের উদ্যোগে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
    • কলাপাড়া সূর্যমুখীর চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকরা  সাফল্য।
    • আগরপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনির হোসেনের ইন্তেকাল: এলাকায় শোকের ছায়া
    • বাইতুল নুর জামে মসজিদে রোজাদারদের জন্য দুই প্রবাসী বোনের ইফতারের ব্যবস্থা
    • সর্বোচ্চ ঝাঁকুনি দেখল বাংলাদেশ : বিশেষজ্ঞ
    • বেলকুচির বিএনপি নেতা রাজ্জাক মণ্ডলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার 
    • বেলকুচিতে “মাহিন সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন! 
    • রাজ্জাক আমার সব ওরে ছাড়া বাঁচবো না
    • উজিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন, সভাপতি মাসুম সম্পাদক মুন্না 
    Facebook Twitter Instagram
    www.ss24bd.comwww.ss24bd.com
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজধানী
    • রাজনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • বরিশাল বিভাগ
      • বরিশাল
      • পটুয়াখালী
      • ঝালকাঠি
      • পিরোজপুর
      • বরগুনা
      • ভোলা
    • সকল বিভাগ
      • ঢাকা বিভাগ
        • নরসিংদী
        • গাজীপুর
        • শরিয়তপুর
        • নারায়ণগঞ্জ
        • টাঙ্গাইল
        • কিশোরগঞ্জ
        • মানিকগঞ্জ
        • ঢাকা
        • মুন্সিগঞ্জ
        • মাদারিপুর
        • রাজবাড়ী
        • গোপালগঞ্জ
        • ফরিদপুর
      • খুলনা বিভাগ
        • চুয়াডাঙ্গা
        • ঝিনাইদহ
        • নড়াইল
        • বাগেরহাট
        • মাগুরা
        • মেহেরপুর
        • যশোর
        • কুষ্টিয়া
        • সাতক্ষীরা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • চট্টগ্রাম
        • কক্সবাজার
        • কুমিল্লা
        • খাগড়াছড়ি
        • চাঁদপুর
        • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
        • মাইজদী
        • নোয়াখালী
        • রাঙ্গামাটি
        • লক্ষ্মীপুর
        • ফেনী
        • বান্দরবান
      • রাজশাহী বিভাগ
        • নওগাঁ
        • নাটোর
        • পাবনা
        • বগুড়া
        • রাজশাহী
        • চাঁপাইনবাবগঞ্জ
        • জয়পুরহাট
        • সিরাজগঞ্জ
      • সিলেট বিভাগ
        • সিলেট
        • সুনামগঞ্জ
        • হবিগঞ্জ
        • মৌলভীবাজার
      • রংপুর বিভাগ
        • দিনাজপুর
        • নীলফামারী
        • পঞ্চগড়
        • রংপুর
        • গাইবান্ধা
        • ঠাকুরগাঁও
        • লালমনিরহাট
        • কুড়িগ্রাম
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
        • ময়মনসিংহ
        • নেত্রকোনা
        • জামালপুর
        • শেরপুর
    • খেলা
      • ফুটবল
      • বিপিএল
      • ভলিবল
      • কাবাডি
      • হকি
      • টেনিস
      • হ্যান্ডবল
      • ক্রিকেট
    • অন্যান্য
      • ইসলাম ও জীবন
      • রেসিপি
      • স্বাস্থ্য, ফিটনেস ও চিকিৎসা
      • ভিডিও গ্যালারি
      • ফিচার
      • বিনোদন
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • সম্পাদকীয়
      • সাহিত্য
      • লাইফ স্টাইল
      • শিক্ষা
    www.ss24bd.comwww.ss24bd.com
    Home»অন্যান্য»ফিচার»স্বরচিত অর্ধশতক গানের রচয়িতা ও সংগীতশিল্পী শফি সরকারের উপাখ্যান
    ফিচার

    স্বরচিত অর্ধশতক গানের রচয়িতা ও সংগীতশিল্পী শফি সরকারের উপাখ্যান

    আরিফুর রহমান সুমনBy আরিফুর রহমান সুমনJune 1, 2020Updated:June 1, 2020No Comments6 Views
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
    এই পৃথিবীতে যুগেযুগেই কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের আছে কোটি কোটি টাকা, ভোগ-বিলাস, ধন-সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি তারা নিজ জীবন নিয়েই যেন স্বপ্নে বিভোর। কিন্তু এমন কিছু বিকল্প চিন্তা চেতনার মানুষের সন্ধান পাওয়া যায়, তাঁদের জীবনটার নন্যতম চাহিদা নেই! নেই কোন কিছুর মোহ! নেই মনের ইচ্ছা পূরণের উচ্চাকাঙ্খা। তাঁদের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনার উদ্দেশ্য অতীব ক্ষিন। অর্থের কোনো লোভ না থাকলেও প্রয়োজন শুধু আছে মনের তৃপ্তি মিটানোর ইচ্ছা। সুতরাং বলা যায়: এই সরল, প্রতিভাবান, কোমল মনের মানুষটি শুধু স্বপ্ন দেখেন গানের জগৎ নিয়ে। এই গানের জগতের বহুগুনের অধিকারী মানুষটি, সবাইকে অবাক করে দেওয়ার মতো প্রতিভা রেখেচলেছেন। তাঁর স্বরচিত গানের নেশাটা নিত্য দিনের জীবন সঙ্গী। নামটি তাঁর মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি সরকার। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তার সঙ্গে বিস্তর কথা বার্তা হয়েছে। “ধর্মের সাথা বিজ্ঞান” এর সংঘর্ষ না কি মানুষের যথেষ্ঠ সন্ধিহান রয়েছে। কোন কোন ধর্মের সাথেই রক্তা রক্তির ঘটনাও আছে ইতিহাসের পাতায়। তবে ‘পবিত্র কুরআন’ থেকে উৎসারিত ধর্ম, ইসলামের সাথে প্রকৃত বিজ্ঞানের বিরোধ ছিলনা অতীতে, বর্তমানেও কোনো বিবোধ নেই এবং ভবিষ্যতেও হবেনা তা তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথার প্রতিফলনেই তাৎক্ষনিক লিখেন স্বরচিত একটি গান। আর তা নিয়েই নজরুল ইসলাম তোফা লিখলেন তাঁর “জীবন কাহিনী”। কি যে অবাক- এই মানুষ! তাঁর প্রতিভার তুলনা হয় না। প্রাকৃতিক জগতটাকে জানার আগ্রহ কতো যে প্রবল তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
    এটা নাকি তাঁর বিনোদনের মাধ্যম। সঠিজভাবে ”বিজ্ঞানের জ্ঞান এবং কর্মের মাঝে” আছে যে সব জ্ঞান তাকে কাজে লাগিয়েই গান লিখেন। সুতরাং- উক্ত বিষয়ের ওপর কোন ব্যক্তির যথাযথ জ্ঞান যদি না থাকে তাহলে নাকি বিজ্ঞান এবং নিজ কর্ম নিয়ে গান লেখা সম্ভব নয়। যেকোন মানুষদের যদি বিজ্ঞানের আলোকে এই পন্থায় সংগীত চর্চায় অগ্রসর হন তাহলেই তাঁদের বিদ্যা বুদ্ধির স্বীকৃতি স্বরূপ: বুদ্ধিজীবী, বিজ্ঞানী, প্রগতিশীল, সুশীল বা আরেও অনেক শিহরণ সৃষ্টিকারী লোক ”গানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধি” করতে পারবেন বলেই তাঁর ধারনা। তাঁর সৃষ্টি গানের সুর বা শব্দ ফোক গানের অাদলে সমৃদ্ধ রয়েছে। সমাজে তাঁর অবস্থান সম্পর্কেই তিনি বলেন, বিজ্ঞানের মূল কথাই হচ্ছে যুক্তি ও প্রমাণ। তাই তিনি গানের সুরেই বলেন: চলছে গাড়ী পজেটিভ,.. ব্রেক মারিলে হয়রে নেগেটিভ।.গানের কথায় শফিকুল, বিজ্ঞানীদের বাজাই ঢোল।.আলোক বর্ষ গেছে কতদূর।. ঐ দর্শন হইতে দার্শনিক হয়,……. যুক্তি বিদ্যা নাম সপ্তম আসমান। কত দূরে নবীর হাদীস টান,..আলোক বর্ষ কে বুঝে। বিজ্ঞানীদের খবর দে। সপ্তম আসমান পরে আছে কে? তিনি লেখা পড়া ছেড়ে দিয়েই অত্যন্ত ব্যথিত চিত্তে কৃষি কাজে নেমেছিলেন। বিকেলে তাঁর আড্ডা স্হান ‘কুলার বিল’ থেকে পদ্মা নদীতে প্রবাহিত মধ্যবর্তী একটি শিবো নদীর পাশেই ধানুরা গ্রামে। সেই শিবো নদীর পাড়ে বসে সূর্য্যাস্তের লগ্নে যেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি সরকার আকাশ দেখেন এবং বিজ্ঞান জগতের ভাবনায় জাগ্রত হতে থাকেন। তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় স্বরচিত গান যেমনটি;- মহাশূন্যের রকেট ঘাঁটি দেখতে যাব নাকি,….. বিজ্ঞান বেটা কর্মের সাথী হাতে লাগাও তালি।…তোমরা কেন বুঝনা মঙ্গল গ্রহের ঘটনা,.কর্ম ছাড়া ধর্ম হবে না।..
    তাঁর সৃষ্টিশীল স্বরচিত গানের বাঁকেবাঁকেই সুরের মুর্সনা ও কথার ভেতর দিয়ে ভুবনকে দেখার যে আনন্দ, মহান আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের আসল দিক, মানুষের মাঝে প্রকৃত মানুষ খোঁজার এক আদর্শীক দৃষ্টান্ত কিংবা প্রকৃতির রূপ বদলের নান্দনিক ও ভয়ানক দুর্যোগ এবং দূর্ঘটনার ‘ইতিবাচক বা নেতিবাচক’ দিকটা তোলে ধরার প্রবনতা রয়েছে। কৃষি কাজ করতে গিয়ে ‘কৃষক-শ্রমিক সহ সাধারণদের আচার আচরন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় গান লিখা ও তা গেয়ে গ্রামের অগনিত মানুষদের আনন্দ জুগিয়েছন। তাঁর গানেই যেন কোমল ফোক সুরের ছোঁয়া ‘ধানুরা গ্রাম বাসি’ বা তানোর থানার মানুষকে অবাক করিয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক, এমন মানুষটির পরিপূর্ণ জীবন কাহিনীর আদ্যোপান্ত।
    রাজশাহী জেলার তানোর থানায়- ”ছয় নম্বর কামার গাঁ” ইউনিয়নের ধানুরা গ্রামে তাঁর জন্ম হয়। বাবা স্কুলমাষ্টার মোঃ আব্দুর রহমান আর মাতা, মোছা: শুরভান বেওয়া একজন পর্দাশীল গৃহিণী মহিলা। তাঁর বাবা সারা জীবন শিক্ষার গর্ভে চলেছে, গ্রামে অজস্র মানুষকে পরিচালিত করেছেন। আর ছাত্র ছাত্রীদেরকে ভালো করে পড়িয়েও বৃত্তি ধরিয়েছেন। ”সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে” তাঁর বাবার বহু ভূমিকা থাকে, সেই অনুষ্ঠান গুলো পরিচালনাও করেন। এ থেকেই মোঃ শফিকুক ইসলাম শফি সরকার উদ্বোধ্য হয়েই গানের জগতে আসেন। আর বড় ভাই মোঃ শহিদ মাষ্টার, নিজ প্রামের- “সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়” এর শিক্ষক। একমাত্র বোন- ‘মোছাঃ শামসুন নাহার হেলেনা’ সহ দুই ভাইকে নিয়ে বাবার এক “ছোট সংসার”। তাদের বাবার ‘আঠার বিঘা’ পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারার মধ্যে শফি সরকার পান “৭ বিঘা”। বড় ভাই তিরিশ বিঘা সম্পত্তি ক্রয় করলেও তিনি কোনো সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেননি। সহধর্মিণী- মোছাঃ রহিমা বিবি এবং এক পুত্র সন্তান- ‘মোঃ রাজুকে’ নিয়ে তিনি গ্রামেই থাকতেন। তার পরে তিনি গ্রামের পরিবেশ থেকে শহরে আসেন- জীবন জীবিকার উদ্দ্যেশে রাজশাহী। তবুও স্বরিত গান রচনায় থেমে থাকেনি তার মেধা। তিনি চাকরী পেলেন রংপুরের রহিমদ্দীন ভরসার সিগারেট কোম্পানীতে। আজ অবধি কর্মরত আছেন রাজশাহী সিটি করর্পোরেশন এলাকায়।বলা যায় যে, বিভাগীয় এলাকাজুড়েই তাঁর চাকরি। সেই কোম্পানীর বিভিন্ন পন্য বাজার জাত করনের সৌজন্যে প্রতি মাসে পান প্রায় আট নয় হাজার টাকা।
    অর্থ কষ্টেই চলেন, তাই তো তার চেহারা দেখলেই টের পাওয়া যায়। সারাদিন কর্ম ব্যস্ততায় কাটান এবং ভর দুপুরে বর্নালীর মোড়ে “শরিফ চা স্টলে” একটু জিরিয়ে নেন। আর সেই সুবাদেই তিনার সঙ্গে সেখানে নজরুল ইসলাম তোফার হঠাৎ সাক্ষাৎ হয়। তাঁর ‘জীবন কথা সহ স্বরচিত গানের’ একবৃহৎ ভান্ডার আছে জানতেও পারে। স্টলের টেবিল বাজিয়ে শুনিয়ে দিলেন অনেক গান। মুগ্ধ হওয়ার মতো একটি গান, ‘ডিপটিউবলে ফসল ফলায় আসমান ছাড়া জমিনে,… কি যুগ আসিলো গুরু মনে পড়ে তোমারে।… আকাশেতে মেঘভাসেরে এক ফসলেই জ্বালা, বৃষ্টি ছাড়া ভালো ফসল যায় না ঘরে তোলা।…. অনাবৃষ্টি ধুধু খরাই ফসল কà